शनिवार, 1 अक्टूबर 2016

সব ছেলেই এইরকম একটি হাত ধরতে চাই

সব ছেলেই এইরকম একটি হাত ধরতে চাই। যখনই হোক মনে ইচ্ছা আসবেই হয়তো অনেকে অস্বীকার করবে, তবে সে এইটার আশা করবেই।।১০০% সত্য। কারন আপনি একবারের জন্য হলেও কারো প্রেমে পড়বেনই,পড়তেই হবে।

শুধু যে তোমাকেই ভালবাসি আমি

শুধু যে তোমাকেই ভালবাসি আমি,তুমি কি জান তোমার কথা ভাবলেই কেন জানি চোখের মাঝে শ্রাবণ নামে,জানি হয়ত তুমি আমার নও, জানি তুমি আমার কথা হয়ত আজ ভুল করে ও মনে কর না, কিন্তু আমি যে ভালবেসেছি তোমায় ,তুমি আমাকে না ভালবাসতে পার কিন্তু তুমি আমার কাছে আমার থেকে ও বেশী... আজ সারা টা দিন সব ভাই বোন রা এক সাথে ছিল শুধু আমি ছিলাম এক টা অন্ধকার ঘরের মাঝে,সারা টা দিন কেঁদে কেঁদে কাটিয়েছি....যদি কোন দিন ফিরে আস আমার জিবনে আমি তোমাকে ভালবেসে আপন করে নেব,পুরনো কোন কথা তুলব না,সব ভুলে যাব.....কথা দিলাম...

আমি যে শুধু তোমাকেই ভালবাসি,

আমি যে শুধু তোমাকেই ভালবাসি, তোমাকেই চাই, তোমার চেহারা দেখে আমি বলি নি, ভালবাসি।। আমি যে মন দিয়ে তোমাকে চিনেছি, আমার জীবনের সবটুকু পাওয়া, আমি তোমার মাঝেই পেয়েছি।। তুমি আমাকে শত বার ফিরে যেতে বললেও, আমি যাবো না, তবে এভাবেই ভালোবেসে যাবো সব সময়।।"

কেন সবকিছু অসহনীয় মনে হয়

কেন সবকিছু অসহনীয় মনে হয় ? কুয়াশায় বিচ্ছিন্ন মনে হয়. সব কিছুর আড়ালে যেন কিছু একটা ধাক্কা দিয়ে চলে বুঝতে পারি না ... শিরা,উপশিরা প্রবাহিত হয় ঘৃনা,ক্রোধ ,একটা ভিশন দমন নীতি ... ইচ্ছে হয় ... চলে যাই.. ভেসে যাই .. হারিয়ে যাই .. কোথাও,,অন্য কোথাও সবুজ আর নীলের ছড়াছড়ি

যারা Facebøøk A Love করেন তারা অবশ্যই পড়বেন ।।।

. --তোমার একটা পিক দাও তো। --কেন কি করবা ? -তোমায় দেখবো আমি। --আমায় তো তুমি না দেখেই ভালোবেসে ফেলেছিলে।এখন আর দেখে কি হবে? -জানি না তাও দেখবো। →→→ শ্রাবনী আর আকাশ এর পরিচয় ফেসবুক এর মাধ্যমে কিছু দিন চ্যাট করার পরই একজনের আরেকজনকে ভালোলেগে যায়। তারপর আকাশ প্রথম শ্রাবনীকে ভালোবাসার কথা বলে। শ্রাবনী বলেছিল, "আমি তো দেখতে ভালো না,তোমার ভালো লাগবেনা"। তাও কেন ভালোবাসো???? কিন্তু আকাশ এসব কিছু শুনেনি।সে বলেছে আমি তোমার চেহারাকে না, তোমাকে ভালোবাসি। শুধু তোমাকেই ভালোবাসি। → রিলেশন হবার কয়েক দিন পর শ্রাবনীর পিক চাচ্ছে আজ আকাশ। শ্রাবনীও তার পিক দিল। কিন্তু শ্রাবনীকে দেখার পর আকাশ এর আর ভালো লাগলো না,সে ভাবলো এই মেয়েকে নিয়ে সবার সাথে মিশা যাবে না। সবার সামনে তার মাথা নিচু হতে যাবে।। শ্রাবনী যে খুব খারাপ তা নয় তবে আকাশ এর সাথে ,তার পরিবারের সাথে যায় না এটা।। → তারপর শ্রাবনীকে একটা ম্যাসেজ দেয়↓ "সরি শ্রাবনী, আমার সাথে তোমায় মানায় না,আমার জন্য আরো সুন্দরী মেয়ে লাগবে,তোমার লেভেলএর কোন ছেলেকে তুমি বিয়ে করে নিও" →→ এর পর আকাশ আর শ্রাবনীর সাথে যোগাযোগ করে নি। ফেসবুক আইডি,মোবাইল নাম্বার সব চেঞ্জ করে ফেলে। _____________↓ কয়েক বছর পর ,,,,, আকাশ একটা প্রাইভেট ভার্সিটিতে পড়ে এখানে নতুন একটা মেয়ে ভর্তি হয়েছে। মেয়েটি দেখতে অনেক সুন্দর যে দেখে সে ই ভালোবাসতে চায় এই মেয়েকে। আকাশ অবশ্য একটু বেশিই ভালোবেসে ফেলেছে এই মেয়েকে।। একদিন ভার্সিটির ক্যাম্পাসে:- --এই মেঘ,দাড়াও -হুম,বলেন --আমি তোমাকে ভালোবাসি, -আমাকে না আমার সৌন্দর্য কে? --আমি তোমাকেই ভালোবাসি প্রথম দিন থেকেই। তোমার চেহারাকে না। -ও,তাই? --হুম,আর ভালোবাসা চেহারা না মন দিয়ে হয়। -ওহ,,কিন্তু আমার জন্য আপনি যোগ্য না, --মানে কি? -আমার জন্য আপনার চেয়ে ভালো,সুন্দর, আর হ্যান্ড সাম ছেলে লাগবে, আমার ফ্যামিলির সাথে আপনাকে মানায় না। , , কথাটা বলেই মেঘ চলে গেল। আকাশ দাঁড়িয়ে রইলো .. ভাবতেছে শ্রাবনীর কথা। আজ তার যেমন কষ্ট লাগতেছে শ্রাবনীর ও তেমন ই কস্ট সেদিন লেগেছিল হয়ত। হঠাৎ পিছন থেকে মেঘ এর এক বান্ধবী এসে আকাশকে ডাক দিল, -ভাইয়া কি শ্রাবনীর কথা ভাবতেছেন? --হ্যা,কিন্তু তুমি কিভাবে জানলা? -আপনি যাকে মেঘ বলে জানেন,সে ই আসল শ্রাবনী। --তুমি কিভাবে জানলা? -ভার্সিটিতে আপনাকে দেখেই ও চিনতে পারে, কারন ফেসবুকে আপনার পিক ছিল। পরে আমায় সব বলেছে। --তাহলে ওই দিন ওই পিক কার ছিল?? -ওইটা,ওদের কাজের মেয়ের পিক ছিল,আপনাকে টেস্ট করার জন্য সেদিন নিজের পিক না দিয়ে অন্য মেয়ের দিয়েছিল। --কেন কেন? -ও দেখতে চেয়েছিল,আপনিকিসত্যিই ওকে ভালোবাসেন, নাকি অন্য কিছুকে।।। কথাটা বলে মেয়েটাও চলে গেল।। ↓ রাস্তায় শ্রাবনী ভাবতেছে→ আকাশ দের মত ছেলেদের ভালোবাসা যায় না। তাঁরা মেয়েদের নিয়ে খেলা করে, কালকে ওর চেয়ে সুন্দরী আর স্মার্ট মেয়ে পেলে যে সেটার কাছে চলে যাবে না তার কোন নিশ্চয়তা I . উৎস: অন্তরা‌লে ঘ‌টে যাওয়া হাজা‌রো ঘটনার এক‌টি (সংগৃ‌হিত) ↓ পোষ্টটি কেমন লাগল জানাতে ভুলবেন না। . (আর ভাল ভাল পোষ্ট পেতে আমাদের পেজে লাইক কমেন্ট শেয়ার করে এক্টিভ থাকুন ,আপনাদের উৎসাহ পেলে আর পোষ্ট নিয়ে হাজির হব)

সেরা একটা লেখা :

আমার বেতন ২২০০০ টাকা,কিন্তু আমি যে বাসায় থাকি ওটা বাড়িধারাতে ( ওল্ড ডি ও এস এইচ) ।এয়ারপোর্ট এর পূর্ব দিকে একটা বিশাল ফ্লাট। লোকে শুনে হাসে, পিছে লোক ঘুসখোর বলে। আমি হাসি, গ্রাম থেকে এসেছিলাম একটা কাজ জুটাবো বলে। কিন্তু আমাকে খুঁজে নিয়েছে বিশাল কোম্পানি। বছর খানেক পর আমার কাজের উপর খুশি হয়ে এই বাড়িধারাতে ট্রান্সফার করে দেয়। সাথে এই অফিসিয়াল ফ্লাট। পুরো ঘটনা অনেক কে বলা হয়, যারা শুনে তারা ভ্রু কুঁচকায়। বাকিরা ঘুস খোর বলে। যেদিন এই বাসায় এসেছিলাম সেদিন শায়লা কে কোলে তুলে ঘুরিয়েছিলাম, চুমু খেয়েছিলাম, মাঝরাতে দুজনে একসাথে নেচেছি খিক খিক। -------- রিহানের জন্ম হয়েছিল বাড়িধারা লেক ভিউ ক্লিনিকে। সবচেয়ে উন্নত সেবার এই ক্লিনিকে রিহান সোনার চামুচ মুখে জন্মেছিল। মধ্যবিত্তের কাছে সোনার চামুচ অধরা, বড্ড আদিক্ষেতা। আমার কাছে তা ছিল না। পুরো ১২ আনা সোনা দিয়ে বানিয়ে নিয়েছি সোনার চামুচ। জন্মের পর সেই চামুচে সামান্য মধু নিয়ে রিহানের মুখে দিয়েছিলাম। আমার সন্তান, সোনার চামুচ না হলে চলবেই না। হুম রিহানের মা কখনো ওর ছবি তুলতে দিত না।কারন অজুহাতের সমান। কিন্তু আমি নাছোরবান্দা, জন্মের প্রথম দিন থেকে রিহানের প্রথম বসা, হামাগুড়ি দেওয়া, প্রথম দাঁত নিয়ে হাসি, নিজের পায়ে দাড়ানো, প্রথম মুখে ভাত, প্রথম স্কুল, কলেজ সব সব আমার ক্যামেরায় বন্দি করেছি। অহহ হ্যাঁ শায়লা একদিন নিজেই একটা ছবি তুলেছিল রিহানের। যেদিন রিহান আমার পিঠে বসেছিল আর আমি গরুর মত হয়ে হাম্বা হাম্বা করে ওকে নিয়ে ঘুরছিলাম। উফফফ আমার দেখা সেরা ছবি ওটা। শায়লা বলতো ধুর ছাই, আমাকে খুশি করতে মিথ্যা বলছো। ----- রিহান যখন ২৬ শে পা দিল তখন আমার ৫২ বছর। এটা নিয়ে বেশ একটা হাসির রোল পড়ে গিয়েছিল। বাবা ছেলে বয়সে দ্বিগুন। সেই ক্লাস ফোরের অঙ্কের মত। শায়লা সে বছর বেশ ক্ষেপিয়েছিল আমায়, তবে বেশি দিন পারে নি। রিহান হঠাৎ একটা মেয়েকে বিয়ে করে নিয়ে এলো। শায়লা প্রচন্ড রেগে গিয়েছিল সেদিন। পারলে রিহান কে জ্যান্ত পুতে ফেলবে। মনে খুব আপসেট হয়ে গেল শায়লা, কিছুদিন তো খাওয়া, ঘুম ছেড়েই দিল। আমি বোঝালাম, ছেলে মানুষ, পছন্দ হয়েছে, বিয়ে করেছে। কেন আমরাও তো এই ভাবেই বিয়ে করেছি তাই না?? কিন্তু শায়লা বুঝলো না। তার উপর রিহানের বউয়ের অবাধ্য আচরন বাসার ভিতর বেশ খিটমিট পরিবেশের সৃষ্টি করলো। রিহান একদিন প্রচন্ড রেগে তার সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিল, সে এ বাসায় থাকবে না। অহহ হ্যাঁ একটু বলেই দেই পরে আমি কিস্তিতে অফিস থেকে বাসাটা ৮ বছরে কিনে নিয়েছিলাম। সেই স্বপ্নের বাসায় রিহান থাকবে না, যার স্মৃতি ঘিের এ বাসা সেই থাকবে না। আমি ওর পিঠ চেপে দিয়ে বললাম, রাগ করিস না। তোরা এ বাসায় থাক, আমাদের বরং বৃদ্ধাশ্রম এ দিয়ে আয়। এটাই তো চাচ্ছিস তাই না?? রিহান আমতা আমতা করে কিছু বলতে চাইলো। আমি হেসে বললাম, কোথাকার বৃদ্ধাশ্রমে যেতে হবে?? ও বলল, গুলশানে। অনেক ভাল একটা বৃদ্ধাশ্রম আছে। তোমরা ওখানে অনেক ভাল থাকবে। আমি হেসে আমার রুমে আসলাম,শায়লা আমাকে জড়িয়ে ধরে ডুকরে কেঁদে উঠলো। ঠিক একই কান্না কেঁদেছিল রিহান যখন জন্ডিসে আক্রান্ত হয়েছিল। কি কান্না টাই করেছে, ""আমার রিহান কে ফিরিয়ে দাও বলে " ----- বসুন্ধরার এই বৃদ্ধাশ্রমে মোট ৬৩ জন আশ্রিতা। যার মধ্যে আমরা দুজন কমবয়েসি। এই ব্যাপার টা খুব মজা লাগতো, শায়লা কে বলতাম দেখ কি কপাল এত জোয়ান বয়সে আমরা ঘর ছাড়া! শায়লা মুখ কালো করে নিত। কিন্তু একটা মেয়ে হাসতো। ওর নাম সাবিহা।এখানে থাকে। সবার দেখাশুনা করে।কার কি লাগবে সেই দেখাশুনা করে। যখন থেকে আমরা এসেছি এই মেয়েটাই আমাদের পরম কাছের হয়ে গেছে। প্রায় দেখি সাবিহা শায়লার মাথায় তেল দিয়ে দেয়। আমি ওর মাথায় গুতা দিয়ে বলি কিরে ""তোর এই মাকে আবার আমার কাছ থেকে কেড়ে নিবি না তো?? বুঝিস এই একটাই আমার সম্পদ""। ও আমার পেটে গুতা দিয়ে বলতো, ইহহহ আমার কি সেই সাধ্য আছে?? বলে খিল খিল করে হাসতো। ---------- গুনে গুনে ফের ২৮ বছর পেড়িয়েছি। ৮০ এর বুড়া আমি , বৃদ্ধাশ্রমের গ্রিল ধরে দাড়িয়ে আছি। বসুন্ধরার সেই বৃদ্ধাশ্রম থেকে ৫ মাস পড়েই পালিয়েছি। তারপর এখানে এসেছি, এখন যেখানে আছি সেখানে নাম বলবো না।পালিয়েছি কারন রিহান মাঝে মাঝে ন্যাকামি দেখাতো, হারামীর ন্যাকামো আমার পছন্দ হতো না। ওর মায়ের সাথে কথা বলে চলে যেত। পালিয়ে আসার পর ওরা আমাকে খুজেঁছিল কিনা জানি না, তবে খুজেঁ নি এটা সিওর। এই ২৮ বছরে আমার কাছে কিছু বাকী নেই। ৯ বছর আগে হঠাৎ শায়লা ঘুমিয়ে গেল, এতো ডাকলাম শুনলোই না, ঘুমোনোর আগে শুধু রিহান কে ডাকলো। আমার বুক টা কেঁপে উঠলো,চোখে ঝাপসা দেখলাম, সাবিহা রোজ আসতো আমাদের দেখতে। রোদ বৃষ্টি, ঝড়, এমন কোন দিন নেই যে সে আসেনি। একদিন খুব জ্বর নিয়েও এসেছিল, শায়লা খুব বকেছিল সেদিন। নিজের সন্তান যেখানে এত বড় বেঈমান সেখানে পর সন্তানের মায়ায় শায়লা কেঁদে দিত। যেদিন শায়লা ঘুমিয়ে গেল, সাবিহা ২ বার সেন্সলেস হয়ে গিয়েছিল।চিৎকার করে কেঁদে যাচ্ছিলো, মাটিতে বসে পা দাপিয়ে আম্মা আম্মা বলে চেঁচাচ্ছিলো। সব কিছু ছেড়ে কবরে শুইয়ে দিলাম শায়লা কে। এরপর মাঝে মাঝে আসতো সাবিহা, গম্ভীর ভাবে কথা বলতো, শায়লার সব কাপর ও নিয়ে গিয়েছিল, আমার কাছে ছিল শুধু রিহানের ফটো এলবাম। বছর দুয়েক পরে টানা ১ মাস আসলো না সাবিহা, খুব চিন্তায় পড়ে গেলাম। একদিন এক ছোকড়া গোছের ছেলে এসে একটা চিঠি দিল। আর বলল, সাবিহা বুবু দিয়েছে। আমি বললাম ও কই? আসে না যে? ছেলেটা মাথা নিচু করে বলল, বুবু ২৫ দিন আগে রোড এক্সিডেন্ট মারা গেছে। ওর জিনিসপত্র নিয়ে যাওয়ার সময় এই চিঠি পাওয়া গেছে, আর এই ঠিকানা। বলেই ছেলেটা চলে গেল, আমি বুকে হাত দিয়ে ঠোট চেপে ধরলাম..... বাহ সাবিত্রি বাহ শায়লা। বাহ!! তোরাও আমায় ছেড়ে চলে গেলি! ------------- হঠাৎ একটা গাড়ির হর্নে সেদিকে তাকালাম। মার্সিডিজ বেঞ্জ। এই গাড়িটা আমার সবচেয়ে পছন্দ, কখনো কেনার সামর্থ্য হয় নি, তবে একে দুর থেকেই দেখলেই চিনে ফেলি। গাড়ির সামনের সিট থেকে একটা ২৫/২৬ এর ছোকড়া নামলো। চোখে সিওর গুচ্ছি এর সানগ্লাস,বড় বিরক্তিকর আমার কাছে, তাই দেখলেই বুঝতে পারি। ছেলেটা গাড়ির দরজা খুলে দিল। একটা মাঝ বয়েসি লোক,পাঞ্জাবি পড়া আর মহিলা বের হলো। একটু কাছে আসতেই খুব চিনলাম লোকটা কে... গ্রিলে ছেড়ে হাটা দিলাম তার দিকে, সামনে গিয়ে পাঞ্জাবির কলার চিপে ধরে দুটো থাপ্পর দিব, যেটা আমাকে আরো ২৮ বছর আগে দেওয়া উচিত ছিল। আর প্রশ্ন করবো "" আজ কেমন লাগছে রে রিহান ?"""। আমি জানি ও আমার থাপ্পর খেয়ে কান্না করবে না, ও কাঁদবে আমার প্রশ্ন শুনে। কিন্তু আমি ওকে ক্ষমা করবো না......... -সংগৃহীত ( যেখান থেকে নিয়েছে সেখানেও সংগৃহিত লিখাই ছিলো! )

शुक्रवार, 30 सितंबर 2016

Abby got out of the car and walked to where her father stood. She turned and waved good-bye to Tyler, as if asking him not to hang around. Taking the hint, Tyler got back into his car and drove away. "Well," smiled John, "do you have anything to tell your father?" "How did you know that Tyler proposed?" asked Abby, in astonishment. John hurried his daughter into the house. "Izumi! He did it! Tyler asked Abby to marry him!" cried John, happily. Izumi came into the room with a sober face. "Just wait till I call Terry!" said John, running to the telephone. "You'd better put down the phone, Dear," warned Izumi. "I think you're a little premature." "What do you mean?" asked John, the telephone receiver still in his hand. "Look at her face," advised Izumi. For the first time since she had come home, John took a good look into Abby's face. Her subdued demeanor made his heart fall to his toes. "You didn't accept him, did you?" asked John. "I told Tyler I had to think about it," replied Abby, quietly. John hung up the phone. Izumi walked over to her daughter and lovingly put her arms around her. Seeing his two girls side by side, John had to smile, in spite of his disappointment. They looked so much alike. "Well," he sighed, "at least you didn't turn him down. But, I don't understand, why do you need to think about it?" "Please, Dad," asked Abby, "give me time to think. I need to know my own heart better." Abby turned to go to her room. "Sweetheart," said Izumi, touching Abby's hand, "don't marry him if you don't love him." Prayerfully, Abby went to bed. She remembered the frankness in Tyler's face when he asked her to become his wife. Her heart had skipped a beat, when he had said the words, "I love you." "But," she wondered to herself, "do I love him?" "Search me, O God, and know my heart: try me, and know my thoughts... and lead me." ~ Psalms 139:23, 24 ~ "The curse of the LORD is in the house of the wicked: but he blesseth the habitation of the just."